Posts

Showing posts from September, 2023

অসুর

  অসুর শব্দটিকে আমরা সাধারনত খারাপ অর্থে ব্যবহার করি । তবে উৎপত্তিগত দিক থেকে অসুর শব্দটি খুব খারাপ নয়। আসলে অহুর শব্দটি থেকে অসুর শব্দটির উৎপত্তি । অহুর (ইংরেজি: Ahura) হল একটি আবেস্তীয় ভাষার শব্দ যা এক বিশেষ শ্রেণীর জরথুস্ট্রবাদী দৈবসত্ত্বাকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। উচ্চারণ গত সমস্যার কারণে অহুর শব্দটি সিন্ধু নদীর তীরে এসে হয়ে যায় অসুর । যেমন সিন্ধু হয়ে গিয়েছিলো হিন্দু । আবার অসুর একজন পূর্ব সেমিটিক দেবতা, এবং মেসোপটেমীয় ধর্মের অ্যাসিরীয় মধ্যে প্রধান। ইনি প্রধানত মেসোপটেমিয়ার উত্তরের অর্ধেক এবং উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার কিছু অংশ ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া মাইনর অঞ্চলে পূজিত হতেন। মূলত এসব অঞ্চল নিয়ে প্রাচীন আসিরীয় অঞ্চল গঠিত হয়েছিলো।কিছু পণ্ডিত দাবি করেন যে, আশারীয় আইকনোগ্রাফীতে বারবার যে পাখাওয়ালা সূর্য দেবতার কথা বলা হয়েছে তিনি মূলত অসুর। অনেক আশারীয় রাজা নিজেদের নামের সংগে অসুর নাম গ্রহণ করেছেন। যেমন আসুর উবাল্লিত ১, আসুরনাসিরপাল, আসুর আহা ইদ্দিনা এবং আসুরবানিপাল। আমাদের ভারতবর্ষেও অসুর পদবী অনেকে ধারণ করেছিলেন । যেমন আসামের নারকাসুর । ভারতীয় পাণ্ডুলিপিতে অসুরদেরকে শক্তিশালী অত...

ওঁ - তৎ- সৎ

  ওঁ - তৎ- সৎ ব্রক্ষ্ম - জীব - জগত বেদ - বেদজ্ঞ - যজ্ঞ ওঁ-ই সৃষ্টির আদি শব্দ।মহাবিশ্বের মহাবিস্ফোরণ এর মাধ্যমে সৃষ্টি ওঁ। নির্গুণ-নিস্ক্রিয় ব্রহ্মের এ সক্রিয় ভাব। গুরুদেব রবি ঠাকুর বলছেন - প্রাচীন ভারতে ব্রহ্মের কোন প্রতিমা ছিল না, কোন চিহ্ন ছিল না— কেবল এই একটিমাত্র ক্ষুদ্র অথচ সুবৃহৎ ধ্বনি ছিল ওঁ। এই ধ্বনির সহায়ে ঋষিগণ উপাসনানিশিত আত্মাকে একাগ্রগামী শরের ন্যায় ব্রহ্মের মধ্যে নিমগ্ন করিয়া দিতেন। আধুনিক সমস্ত ভারতবর্ষীয় আর্য্য ভাষায় যেখানে আমরা হাঁ বলিয়া থাকি প্রাচীন সংস্কৃতভাষায় সেইখানে ওঁ শব্দের প্রয়োগ। হাঁ শব্দ ওঁ শব্দেরই রূপান্তর বলিয়া সহজেই অনুমিত হয়। উপনিষদ্‌ও বলিতেছেন ওমিত্যেতদ্‌ অনুকৃতির্হ স্ম— ওঁ শব্দ অনুকৃতিবাচক, অর্থাৎ ‘ইহা করো’ বলিলে, ওঁ অর্থাৎ হাঁ বলিয়া সেই আদেশের অনুকরণ করা হইয়া থাকে। ওঁ স্বীকারোক্তি। এই স্বীকারোক্তি ওঁ, ব্রহ্ম-নির্দ্দেশক শব্দরূপে গণ্য হইয়াছে। ব্রহ্মধ্যানের কেবল এইটুকুমাত্র অবলম্বন— ওঁ, তিনি হাঁ। ইংরাজ মনীষী কার্লাইলও তাঁহাকে Everlasting Yea অর্থাৎ শাশ্বত ওঁ বলিয়াছেন। এমন প্রবল পরিপূর্ণ কথা আর কিছুই নাই, তিনি হাঁ, ব্রহ্ম ওঁ।... উপনিষদের ঋষিগণ বলিলেন জ...

বারুণী স্নান কি এবং কেন ?

  বারুণী স্নান কি এবং কেন ? ================ প্রথমেই দুজন বিখ্যাত মহামানবের দুটি পংতি স্মরণে রাখি । সবার উপর মানুষ সত্য, তাহার উপর নাই - চণ্ডীদাস । মানুষের চেয়ে বড়ো কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান...- নজরুল । ভারতবর্ষের বর্তমান প্রধান নদী গঙ্গা । প্রথম দিকে কিন্তু গঙ্গার এত পরিচিতি ছিলোনা । কয়েক হাজার বছর পূর্বে যে দুটি নদী ও নদের নাম বেশী উচ্চারিত হতো তা হলো সরস্বতী ও সিন্দু নদ । কিন্তু কালের প্রভাবে গঙ্গা হয়ে গেলো ভারতবর্ষে শ্রেষ্ঠ নদী । গঙ্গার দৈর্ঘ্য ২,৫২৫ কিমি (১,৫৬৯ মা); উৎসস্থল পশ্চিম হিমালয়ে ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্যে। দক্ষিণ ও পূর্বে গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে গঙ্গা মিশেছে বঙ্গোপসাগরে। জলপ্রবাহের ক্ষমতা অনুযায়ী গঙ্গা বিশ্বের প্রথম ২০টি নদীর একটি। গাঙ্গেয় অববাহিকার জনসংখ্যা ৪০ কোটি এবং জনঘনত্ব ১,০০০ জন/বর্গমাইল (৩৯০ /কিমি২)। এটিই বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নদী অববাহিকা। গঙ্গা নদীর উৎপত্তি নিয়ে সনাতন ধর্মে সুন্দর পৌরাণিক কাহিনী আছে । কাহিনীটা নিম্নরুপ গঙ্গার জন্মকাহিনি বিষয়ে হিন্দু ধর্মগ্রন্থগুলির মধ্যে মতদ্বৈধ দৃষ্ট হয়। একটি কাহিনি অনুযায়ী ব্রহ্মার কমণ্ডলু...

ব্রাক্ষ্মন্যবাদ ও বাংলাদেশের সনাতন সমাজ

  ব্রাক্ষ্মন্যবাদ ও বাংলাদেশের সনাতন সমাজ ঃ ---------------------------------------------------- সনাতন ধর্ম পৃথিবীর সবচেয়ে পুরাতন ধর্ম গুলোর মধ্যে একটি। সম সাময়িক অনেক ধর্ম বিলীন হয়ে গেছে।সনাতন ধর্ম এখনো মানুষের বিশ্বাসের মধ্যে বিরাজ মান। অতীত খুঁজলে দেখা যায় , ভারত বর্ষে আর্যরা আসার পূর্বেও সনাতন ধর্ম বিরাজমান ছিল। কৌম সভ্যতায় আমরা দেখেছি কিছু সংস্কার , আচার আচরণ ,যা এখনো সনাতন ধর্মের বিশ্বাসী মানুষেরা বহণ করে নিচ্ছে।যেমন মেয়েরা যে মাথায় সিঁদুর দেয় তা কিন্তু কৌম সভ্যতা থেকে এসেছে। আবার হরোপ্পা সভ্যতায় আমরা দেখতে পাই সেখানে হর নামে এক দেব ছিল যাকে আমরা শিব বলে থাকি। সেখানে মাতৃকা দেবীর পূজা হতো। তবে যেহেতু আর্যরা তাদের জাতির নাম পূর্ব থেকে নির্ধারিত করে ফেলেছিল , তাই তারা বাদে বাকী লোক গুলোকে অনার্য বলা হত। তখন সামজে বিভিন্ন গোষ্ঠী থাকত এবং গোষ্ঠী নেতা থাকত তবে শ্রেনী বৈষম্য হয়ত তেমন প্রখর ছিলনা । চারবর্নের সৃষ্টি হলো আর্যদের বহন করা বেদ থেকে। যে , যে ভাবে ব্যাখ্যা করুন শ্রী গীতাতেও বর্ণবাদকে পরোক্ষ ভাবে স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। এই বর্ণ বাদে একদল হয়ে গেল উচ্চ বর্ণ আর এক দল হয়ে গেল ...

ঈশ্বর ও দেবতাঃ

  ঈশ্বর ও দেবতাঃ ========== ছান্দোগ্য উপনিষদে (৩:১৪:১) এর সারমর্ম সংক্ষিপ্ত আকারে ব্যক্ত হয়েছে – ‘সর্বং খল্বিদং ব্রহ্ম তজ্জ্বলানিতি’ অর্থাৎ জগত ব্রহ্মময় । সব কিছুই ব্রহ্ম, ব্রহ্মেই তাদের জন্ম, পুষ্টি এবং প্রলয়। শিবপুরাণ জ্ঞানসংহিতা ৬৭ নং শ্লোক ”সর্ব্বং শিবমর্য়ং ব্রহ্ম শিবাং পরং ন কিঞ্চন । “ আমিই শিব আবার শিবও আমি , এবং তুমিও শিব ।” শিবময় ব্রহ্ম ” । এ জগতে শিব ব্যাতিত আর কিছুই নেই । শ্রী গীতাঃ৭/১৯ বহুনাং জন্মনামন্তে জ্ঞানবান্মং প্রপদ্যতে। বাসুদেবঃ সর্বমিতি স মহাত্মা সুদুর্লভঃ।।১৯।। অনুবাদঃ বহু জন্মের পর তত্ত্বজ্ঞানী ব্যক্তি আমাকে সর্ব কারণের পরম কারণ রূপে জেনে আমার শরণাগত হন। জগত বিষ্ণুময় । শাক্তধর্মমতে, দেবী হলেন পরব্রহ্ম। তিনি এক এবং অদ্বিতীয়। অন্য সকল দেব ও দেবী তার রূপভেদমাত্র। দর্শন ও ধর্মানুশীলনের ক্ষেত্রে শাক্তধর্মের সঙ্গে শৈবধর্মের সাদৃশ্য লক্ষিত হয়। যদিও শাক্তরা কেবলমাত্র ব্রহ্মের শক্তিস্বরূপিণী নারীমূর্তিরই পূজা করে থাকেন। এই ধর্মে ব্রহ্মের পুরুষ রূপটি হল শিব। তবে তার স্থান শক্তির পরে এবং তার পূজা সাধারণত সহায়ক অনুষ্ঠান রূপে পালিত হয়ে থাকে। প্রধান শাক্ত ধর্মগ্রন্থ দে...

সাধক বামাক্ষ্যাপা

  সাধক বামাক্ষ্যাপা ” মন চল নিজ নিকেতন “ “বাতি যেমন তেল ছাড়া জ্বলে না , তেমন মানুষ ঈশ্বর ছাড়া বাঁচতে পারে না “. তিনি ছিলেন উনিশ শতকের অপার প্রসিদ্ধ কালীভক্ত বামাক্ষ্যাপা । ব্রহ্মজ্ঞ পুরুষদের চারটি অবস্থা বালকবৎ, জড়বৎ, উন্মাদবৎ এবং পিশাচবৎ। এই চারটি অবস্থাই ব্যামাক্ষ্যাপার মধ্যে দেখা যেত। কিন্তু ঠাকুর রামকৃষ্ণের মধ্যে পিশাচবৎ ভাবটি অনুপস্থিত ছিল। তাই বামাক্ষ্যাপাকে দেখার জন্য নরেন্দ্রনাথ আকুল হয়ে ওঠেন। শেষে শরৎচন্দ্রকে নিয়ে নরেন্দ্রনাথ চলে এলেন তারাপীঠে। সেখানে বামাক্ষ্যাপা ও নরেন্দ্রনাথ দেখা হয়। আর তার সম্পর্কে বামাক্ষ্যাপা তার বন্ধু শরৎচন্দ্রকে বললেন, এই যুবক একদিন ধর্মের মুখ উজ্জ্বল করবে। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্ম হলেও তিনি বামাক্ষ্যাপাকে দেখার জন্য তারাপীঠে গিয়েছিলেন। সেখানে দুজনার কিছুক্ষণ কথা হয়। কথিত আছে, ফেরার সময় বামাক্ষ্যাপা মহর্ষিকে বললেন, “ ফেরার পথে ট্রেন থেকেই দেখতে পাবে একটা বিশাল মাঠ। সেই মাঠের মাঝখানে আছে একটা ছাতিম গাছ আছে। তার নিচে বসে ধ্যান করবে। দেখবে মনের ভিতরে আনন্দের জ্যোতি জ্বলে উঠছে। ওখানে একটা আশ্রম বানাও দেখি। আহা, শান্তি শান্তি! ” ফেরার পথে সে...

অকালবোধন ও রাজা রামচন্দ্র

  অকালবোধন ও রাজা রামচন্দ্র ==================== সাধারণত আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষের ষষ্ঠ থেকে দশম দিন পর্যন্ত শারদীয়া দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়। এই পাঁচটি দিন যথাক্রমে "দুর্গাষষ্ঠী", "মহাসপ্তমী", "মহাষ্টমী", "মহানবমী" ও "বিজয়াদশমী" নামে পরিচিত। আশ্বিন মাসের শুক্ল পক্ষটিকে বলা হয় "দেবীপক্ষ"। দেবীপক্ষের সূচনার অমাবস্যাটির নাম মহালয়া; এই দিন হিন্দুরা তর্পণ করে তাঁদের পূর্বপুরুষদের প্রতি শ্রদ্ধানিবেদন করেন। দেবীপক্ষের শেষ দিনটি হল কোজাগরী পূর্ণিমা। এই দিন হিন্দু দেবী লক্ষ্মীর পূজা করা হয়। কোথাও কোথাও পনেরো দিন ধরিয়া দুর্গাপূজা পালিত হয়। শারদীয় দুর্গা পূজা এলেই রাজা রামচন্দ্রের কথা চলিয়া আসে। কারণ শরতের এই পূজা আসলে শাস্ত্রমতে অকালবোধন পূজা । যা রামচন্দ্র করিয়াছিলেন । শাস্ত্রমতে বসন্তকাল দুর্গা পূজার উপযুক্ত সময় । পৌরানিক বর্ণনা অনুযায়ী সূর্য্যবংশীয় রাজা সুরথ বসন্তকালের শুক্লপক্ষের অষ্টমী ও নবমী তিথিতে দুর্গাপূজা প্রচলন করেন । এই পূজা কে বলা হইয়া থাকে বাসন্তীপূজা । দেবদেবীগণ বছরে ছয়মাস নিদ্রায় থাকেন । আশ্বিন মাসটি এই নিদ্রা মাসে...

রাজা রামচন্দ্র সেই ( অহল্যা ) কঠিন পাথরকেও সজীব করিয়া তুলিয়া আপন কৃষিনৈপুণ্যের পরিচয় দিয়াছিলেন

  রাজা রামচন্দ্র সেই ( অহল্যা ) কঠিন পাথরকেও সজীব করিয়া তুলিয়া আপন কৃষিনৈপুণ্যের পরিচয় দিয়াছিলেন ঃ - যা হলিত হয় নি বা যেখানে লাঙল চালানো হয়নি , যেখানে ফসল হয়নি সেই জমিতে ফসল ফলিয়েছেন রাজা রামচন্দ্র। কবিগুরুর ভাষায় ঃ শিবের হরধনু ভাঙিবে কে একদিন এই এক প্রশ্ন আর্যসমাজে উঠিয়াছিল। শিবোপাসকদের প্রভাবকে নিরস্ত করিয়া যিনি দক্ষিণখণ্ডে আর্যদের কৃষিবিদ্যা ও ব্রহ্মবিদ্যাকে বহন করিয়া লইয়া যাইতে পারিবেন তিনিই যথার্থ ভাবে ক্ষত্রিয়ের আদর্শ জনকরাজার অমানুষিক মানসকন্যার সহিত পরিণীত হইবেন। বিশ্বামিত্র রামচন্দ্রকে সেই হরধনু ভঙ্গ করিবার দুঃসাধ্য পরীক্ষায় লইয়া গিয়াছিলেন। রাম যখন বনের মধ্যে গিয়া কোনো কোনো প্রবল দুর্ধর্ষ শৈববীরকে নিহত করিলেন তখনই তিনি হরধনু ভঙ্গের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হইলেন এবং তখনই তিনি সীতাকে অর্থাৎ হলচালনরেখাকে বহন করিয়া লইবার অধিকারী হইতে পারিলেন। তখনকার অনেক বীর রাজাই এই সীতাকে গ্রহণ করিবার জন্য উদ্যত হইয়াছিলেন কিন্তু তাঁহারা হরধনু ভাঙিতে পারেন নাই, এইজন্য রাজর্ষি জনকের কন্যাকে লাভ করিবার গৌরব হইতে তাঁহারা বঞ্চিত হইয়া ফিরিয়া গিয়াছেন। কিন্তু এই দুঃসাধ্য ব্রতের অধিকারী কে হইবেন, ক্ষত্রিয় ...

হিন্দুশাস্ত্রে "দুর্গা" শব্দটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছে:

  হিন্দুশাস্ত্রে "দুর্গা" শব্দটিকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছে: "দ" অক্ষরটি দৈত্য বিনাশ করে, উ-কার বিঘ্ন নাশ করে, রেফ রোগ নাশ করে, "গ" অক্ষরটি পাপ নাশ করে এবং অ-কার শত্রু নাশ করে। এর অর্থ, দৈত্য, বিঘ্ন, রোগ, পাপ ও শত্রুর হাত থেকে যিনি রক্ষা করেন, তিনিই দুর্গা।" মায়ের ১০৮ নাম : ========== ১| শঙ্করী : শঙ্করের ঘরনী | তাই তিনি দেবী শঙ্করী | আপামর ভক্তর কাছে তিনি মা শঙ্করী | ২| সুরেশ্বরী : সুর মানে দেবতা | তাঁদের অধীশ্বরী দেবী দুর্গা | তাই দেবতারা তাঁকে সুরেশ্বরী বলে সম্বোধন করেন | ৩| কমলে কামিনী : দেবীর কৃপায় রক্ষা পেয়েছিল ধনপতি সওদাগরের বাণিজ্য এবং পরিবার | তাই‚ ধনপতি এবং তাঁর পুত্র শ্রীমন্ত এই সম্বোধন করেছিলেন পদ্মাসনা দেবীকে | ৪| গায়ত্রী : এই নামে দেবে পূজিত হন পাতালে | ৫| মহোদরী : গণেশের জন্মদাত্রী বলে এই নাম হয় দেবী দুর্গার | ৬| কৃত্তিবাস প্রিয়া : বাঘছাল পরিহিত শিবের আর এক নাম কৃত্তিবাস | তাঁর স্ত্রী বলে দুর্গা‚ কৃত্তিবাস প্রিয়া | ৭| মাতঙ্গী : তান্ত্রিক মহাবিদ্যার অনুযায়ী দেবীর এক নাম মাতঙ্গী | ৮ | বগলা : দশ মহাবিদ্যার অন্যতম হল বগলা | তাই দুর্গা ...